প্রকাশিত: ২০ মে ২০২৬, ০৬:৩৩ পিএম
1708
০৬ জুন ২০২৬, ০৬:১৫ এএম
দেশীয় উৎস থেকে গ্যাস উৎপাদন বাড়িয়ে আমদানিকৃত এলএনজির ওপর নির্ভরতা কমাতে গাজীপুরের কালীগঞ্জে অবস্থিত কামতা গ্যাস ফিল্ডে নতুন মূল্যায়ন-কাম-উন্নয়ন কূপ খনন কার্যক্রম শুরু করেছে বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড।
বুধবার (২০ মে) আনুষ্ঠানিকভাবে এই খনন কাজের উদ্বোধন করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পেট্রোবাংলা-র আওতাধীন বিজিএফসিএল দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে তিতাস ও কামতা গ্যাস ফিল্ডে মোট চারটি মূল্যায়ন-কাম-উন্নয়ন কূপ খননের উদ্যোগ নিয়েছে। প্রকল্পটির উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) গত ২ ফেব্রুয়ারি একনেক সভায় অনুমোদন পায়।
প্রকল্পটির মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ২৫৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ৮৭২ দশমিক ২০ কোটি টাকা এবং বিজিএফসিএলের নিজস্ব অর্থায়ন ৩৮২ দশমিক ৮০ কোটি টাকা।
প্রকল্পের আওতায় তিতাস গ্যাস ফিল্ডে তিনটি এবং কামতা গ্যাস ফিল্ডে একটি কূপ খনন করা হবে। পাশাপাশি গ্যাস গ্যাদারিং পাইপলাইন নির্মাণ, প্রসেস প্লান্ট স্থাপন এবং বৈদেশিক পরামর্শক নিয়োগের কাজও চলবে।
জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে ২০২৭ সালের জুনের মধ্যে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক প্রায় ৫৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে শুধু কামতা-২ কূপ থেকেই দৈনিক প্রায় ১০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে।
বর্তমানে তিতাস-২৮ নম্বর কূপের খনন কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। এটি সম্পন্ন হলে তিতাস-২৯ নম্বর কূপের খনন কার্যক্রম শুরু করা হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
বিশ্লেষকদের মতে, দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বাড়ানো গেলে ব্যয়বহুল এলএনজি আমদানি কমানো সম্ভব হবে, যা দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ও বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।