বৃহস্পতিবার ১৪, মে ২০২৬

১৪ মে ২০২৬, ০৪:২৩ পিএম

সরকারি হাসপাতালে ২৪ ঘণ্টা সব ধরনের সেবা দেওয়ার আহ্বান সমাজকল্যাণমন্ত্রীর

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:০০ পিএম

1693

এ জেড এম জাহিদ হোসেন

দেশের সরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোতে ২৪ ঘণ্টা প্যাথলজি ও রোগনির্ণয় (ডায়াগনস্টিক) সেবা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন।


শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে সোসাইটি অব নিউক্লিয়ার মেডিসিন বাংলাদেশের ২৯তম জাতীয় সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
মন্ত্রী বলেন, রোগ কোনো নির্দিষ্ট সময় দেখে আসে না, অথচ সরকারি হাসপাতালে অনেক জরুরি ডায়াগনস্টিক সেবা নির্দিষ্ট সময়ের পর বন্ধ থাকে। এই পরিস্থিতির পরিবর্তন করে ‘রোস্টার ডিউটি’ ভিত্তিতে সার্বক্ষণিক সেবা চালু করা প্রয়োজন।
তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, রাতের বেলায় জরুরি আলট্রাসাউন্ড বা এক্স-রে প্রয়োজন হলেও অনেক সময় রোগীর স্বজনদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়, যা চিকিৎসা ব্যবস্থাকে ব্যাহত করে।
স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, শুধু বাজেট বা বরাদ্দ বাড়ালেই হবে না, বরং দক্ষ জনবল তৈরি ও সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। তার ভাষায়, “মানুষ তৈরি না হলে দামি যন্ত্রপাতি দিয়েও লাভ নেই।”
তিনি আরও বলেন, প্রশিক্ষিত জনবল ধরে রাখা এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে, কারণ অনেকে ভালো সুযোগের আশায় বিদেশে চলে যাচ্ছেন। এ অবস্থায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে দেশে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার ওপর জোর দেন তিনি।
নিউক্লিয়ার মেডিসিন সেবাকে শুধু রাজধানীতে সীমাবদ্ধ না রেখে জেলা পর্যায়েও বিস্তারের আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, দেশের সব নাগরিক কর দেন, তাই আধুনিক চিকিৎসা সেবা তাদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে হবে।
বিদেশে চিকিৎসা নেওয়ার প্রবণতা কমাতে দেশীয় স্বাস্থ্যসেবার প্রতি আস্থা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান এম মঈনুল ইসলাম এবং সোসাইটি অব নিউক্লিয়ার মেডিসিন বাংলাদেশের সভাপতি অধ্যাপক ডা. ফারিয়া নাসরিন।
দিনব্যাপী সম্মেলনে পরমাণু চিকিৎসার বিভিন্ন বিষয়ে প্রায় অর্ধশতাধিক বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়। অনুষ্ঠানে ‘ইয়াং সায়েন্টিস্ট অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করা হয় ডা. ফরিদা ইয়াসমিনকে।

Link copied!